ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে দুরত্ব প্রায় ১১০ কিলোমিটার। আগামী ২৫ পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পরদিন থেকে এই অঞ্চলের মানুষেরা স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারবে। সময় যতই ঘনিয়ে আসচ্ছে মানুষের মনের মধ্যে ততই উৎকন্ঠা বাড়ছে।
আলফাডাঙ্গা বাজারে থানা সড়ক- সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছেন কয়েকজন। আলোচনা চলছে পদ্মা সেতু নিয়ে। একেকজন একেকভাবে ব্যাখ্যা করছেন এই সেতু তাঁদের জীবনমান কতটা সমৃদ্ধ করবে। যেখানে জাতীয় কিংবা রাজনীতির নানা সমীকরণ মেলাতেন তারা, সব ছাপিয়ে এখন পদ্মা সেতুই তাঁদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
৭০ বছর বয়সী আলফাডাঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আওয়াল ফকির বলেন, পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে স্বল্প সময়ে রাজধানীতে পৌছাবো ভাবতেই ভালো লাগছে। নিজের চোঁখে দেখে যেতে পারাটাই আমার এই বৃদ্ধ বয়সে স্বার্থকতা।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা জানান, উদ্বোধনের আগে কয়েক বার সেতু এলাকা থেকে ঘুরে এসেছি। রাজধানীতে যাওয়া আসার পথে এ সেতুর নির্মাণ কাজ দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিধান্তে পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। এতে দেশের উন্নয়ন আরও বাড়বে আমি মনে করি।
আরও পড়ুনঃ সালথায় জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের বাড়িতে গভীর রাতে হামলার অভিযোগ
ঢাকার ব্যবসায়ী সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন,ঘাটে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেরির জন্য বসে থাকতে হয়। সকালে রওনা দিয়ে রাজধানীতে পৌছাতে প্রায় ১২ ঘন্টা সময় ব্যয় হয়েছে কোন কোন দিন। তবে এই পদ্মা সেতু হওয়ার পরে আমাদের আর ঘাটে গিয়ে বসে থাকতে হবে না। সকালে আলফাডাঙ্গা থেকে রওনা করে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঢাকা গিয়ে পৌছাতে পারবো।
আলফাডাঙ্গা সরকারি হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আবুল বাশার শেখ জানান, দেশের জন্য এই পদ্ম সেতু অনেক বড় অর্জন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন আমরা সেই মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় আছি।