ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল নামে একটি পশু হাসপাতাল আছে। এই হাসপাতালটি উপজেলার বিভিন্ন পশু ও পাখির সুচিকিৎসার ব্যবস্থার জন্য সরকারিভাবে নির্মিত।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি বোয়ালমারী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মহীদুল ইসলাম মহু তার পোষা একটি বিড়ালের চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে বিড়ালটিকে সঙ্গে নিয়ে যান। সড়ক দুর্ঘটনায় বিড়ালটির একটি পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোন চিকিৎসা ছাড়াই মারাত্মক আহত বিড়ালটিকে হাসপাতাল থেকে ফেরত নিয়ে যেতে হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকার আহত বিড়ালটির কোনরূপ চিকিৎসা না দিয়েই বিড়ালটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে বিড়ালটির মালিক পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মহীদুল ইসলাম মহু বলেন, বাড়ির সামনে থেকে সাইকেলের নিচে চাপা পড়ে আমার পোষা বিড়ালটির একটি পা ভেঙ্গে গেলে আমি বিড়ালটিকে নিয়ে উপজেলা পশু হাসপাতালে যাই। সেখানকার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিড়ালটির কোন চিকিৎসা না দিয়েই ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন। তিনি এ সময় প্রশ্ন রাখেন, পশু হাসপাতালের কাজ কী? বিড়ালটির প্রাথমিক চিকিৎসাও কি এখানে মিলবে না? না-কি এটি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার গাফিলতি?
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকারের ০১৭১১৯৪৭৫৮৫ মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।