রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
দুর্গাপূজার পাঁচ দিন সরকারি ছুটি শেষে রবিবার খোলা হয়েছে সব সরকারি দপ্তর। নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে অনুপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। এতে দূরদূরান্ত থেকে সরকারি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২৫ অক্টোবর রবিবার সকাল ৯টা বাজলেও অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্ধারিত সময়ে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন না। কয়েকটি দপ্তরের মূল গেটে ঝুলছে তালা। দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা তখনও অফিসে আসেননি। তাদের কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ের ৩৫ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পর অফিসে উপস্থিত হয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান খান অফিসে আসেন ৯টা ৪৮ মিনিটে, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হাসান অফিসে আসেন ৯টা ৪২ মিনিটে, কৃষি কর্মকর্তা আফরোজা এসেছেন ১০টার পর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা অফিসে আসেন ৯টা ৪৫ মিনিটে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলম সরকার ৯টা ৪২ মিনিটে, সমবায় কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন আসেন সাড়ে ৯টায়, সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির এসেছেন ৯টা ৫ মিনিটে, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আসেন ৯টার পরে।
এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আক্তার হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নূরে আলম সিদ্দিক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুন নাহার, মৎস্য কর্মকর্তা ফিরোজ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আরিফ মোহাম্মদ, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। তারা কেউ অফিসের কাজে বাইরে, কেউ জেলায় মিটিংয়ে, কেউ অসুস্থ বলে জানান অফিসের কর্মচারীরা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল রিসিভ করেননি।