কাজল ইসলামঃ

কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় অবৈধ ও চোলাইকৃত ভারতীয় ৫৫ টি বিভিন্ন কোম্পানির মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। যার বর্তমান আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দশ থেকে তেরো লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় রাত ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ ও বিজিবি। অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হাঁস-মুরগি খোঁয়াড় থেকে বিভিন্ন দামের একাধিক কোম্পানির মোট ৫৫ টি মোবাইল ফোনের সন্ধান পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় মো: এনামুল হক অন্তত (২৬) নামে এক ভারতীয় অবৈধ চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে আটক করেন পুলিশ ও বিজিবি। আটকৃত আসামি উত্তর তিলাই ইউনিয়নের বিএসসি পাড়ার মো: ময়েন আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ও বিজিবি যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধ ও চোরাইকৃত ৫৫ টি একাধিক কোম্পানির বিভিন্ন দামের মোবাইল ফোন হাঁস-মুরগি খোঁয়াড় থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে অবৈধ সেই মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে যৌথ অভিযানে মাধ্যমে আটক করা হয়েছে। আটকের পর এনামুল হক অন্তত প্রার্থমিকভাবে স্বীকারোক্তি দেন তিনি দীর্ঘদিন থেকে জেলা ও জেলার বাহিরের কিছু মোবাইল ব্যবসায়ীর কাছে বিভিন্ন দামে এসব ভারতের চোরাইকৃত মোবাইল বিক্রি করে আসছেন।

 

তিনি আরও স্বীকারোক্তি দেন বর্তমানে যেসব মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে তার বর্তমান আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় দশ থেকে তেরো লাখ টাকা।

উদ্ধার করা মোবাইল ফোনের মধ্যে রয়েছে আইফোন, মটোরোলা, অপ্পো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোসহ বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির মোবাইল ফোন।

অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন, ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে পুলিশের একটি আভিযানিক দল অংশ নেয়। পাশাপাশি কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবির অধীন ধলডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডার সুবাদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, আসাদমোড় দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। বিজিবির সহায়তায় সুপরিকল্পিতভাবে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এসব মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।