শেখ সাইদুল ইসলাম প্রবীনঃ 

 

কুষ্টিয়ার খোকসায় শ্রী শ্রী জগন্নাথ নামহট্ট সংঘের মন্দির কেন্দ্রিক অর্থ আত্মসাৎ ও জমি ব্যক্তি নামে রেজিস্ট্রেশনের অভিযোগে প্রচারিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ এবং তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংঘের পরিচালক শুভেন্দু বিকাশ সরকার ওরফে শুভ।

 

​১২ আগস্ট ২০২৬ বুধবার বিকেলে খোকসা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিচালক শুভ।

 

​লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ৭ই আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক রূপকথা’ পেজ ও অন্যান্য স্থানীয় পত্রিকা এবং তাদের অনলাইন সংস্করণে “খোকসায় ইসকনের শুভর বিরুদ্ধে মন্দিরের সাহায্য পাওয়া টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ” শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত সংবাদটি তার ও তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র।

 

​প্রকৃত সত্য তুলে ধরে শুভ জানান, গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে ভক্তদের অনুদান ও নিজস্ব অর্থায়নে শ্রী শ্রী জগন্নাথ নামহট্ট সংঘের নামে ২.২২ শতাংশ জায়গা ক্রয় করা হয়েছে (দলিল নং- ১৬৫৫/২০২৬)। তিনি মন্দিরের কোষাধ্যক্ষ নন, মন্দিরটির কোষাধ্যক্ষ হলেন সুব্রত শর্মা (শঙ্খ পানি দাস)। ফলে অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে তার সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

 

​সংবাদে মন্দিরের জমি ব্যক্তিগত নামে রেজিস্ট্রেশনের দাবিকে তিনি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর ও আইনি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ক্রয়কৃত জমির দলিল সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন ও উন্মুক্ত করেন। সাংবাদিকতার নীতিমালা লঙ্ঘন করে তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

​তিনি আরও জানান, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে ইতোমধ্যেই খোকসা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে (জিডি নং- ৩৭১, তারিখ: ৮/৮/২০২৬)। তিনি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে দ্রুত সত্যতা যাচাই করে প্রতিবাদলিপি প্রকাশের আহ্বান জানান, অন্যথায় দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। তিনি দাবি করে বলেন এই লেখাটি পুলক সরকার লিখেছে। মিথ্যা লেখার প্রতিবাদ না ছাপালে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

 

​সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার হর গোবিন্দ বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ হালদার, সুব্রত শর্মা ও বিকাশ হালদার প্রমুখ। এছাড়া খোকসা প্রেসক্লাবসহ খোকসায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।