সাহিদা পারভীনঃ
রাজবাড়ীর কালুখালী থানা পুলিশের সামনে দিয়ে একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে খুজে না। ফলে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মামলার বাদী।
গত ১১/৯/২০২৫ তারিখে কালুখালীর কালিনগর গ্রামের রফিকুল ইসলাম একই উপজেলার বড়বাংলাট গ্রামের হাসান শেখসহ ৫ জনের নামে কালুখালী আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৭৯/২৫। মামলা দায়েরের পর আসামী হাসান শেখ ও জরিপ শেখ আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা কপি কালুখালী থানা পুলিশের কাছে আসার পরও পুলিশ রহস্যজনক কারনে হাসান ও জরিপকে গ্রেফতার করছে না।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাসান বাংলাদেশ হাট মোড়ে একটি মুরগীর দোকানে বেঁচাকেনা করছে। অথচ পুলিশ নাকি হাসানকেও খুজে পায়না।
রফিকুল ইসলাম ২৪/৩/২০২২ সালে কালুখালীর রুহুল আমীনের নামেও রাজবাড়ী ২ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৭২৯/২২। আদালত গত ১১/৭/২০২৪ মামলাটির রায় প্রদান করে। রায়ে রুহুল আমীনের ২০লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১ বছরের জেল ঘোষণা করেন। কিন্তু রায়ের আগেই রুহুল পালিয়ে যায়। পলাতক রুহুল বাংলাদেশ হাটসহ আশপাশের এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাকেও খুজে পাচ্ছে না।
মামলার বাদী রফিকুল জানায়, সে প্রায়ই আমাকে হুমকী দেয়। আমার বাড়ীতে অস্ত্র আর মাদক রেখে ফাসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। এসব ঘটনায় মানুষ হতাশ। হারিয়ে যাচ্ছে পুলিশের প্রতি আস্তার জায়গা।