মাহমুদুর রহমান তুরানঃ

ঢাকা -খুলনা মহাসড়কের সুয়াদী বাসস্ট্যান্ডে শনিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনা কবলিত পিক আপ উদ্ধারের সময় দ্রুত গামী পরিবহনের চাপায় ঘটনাস্থলে ৫ জন নিহত ও ৫ জন গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। এসময় উত্তেজিত জনতা একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। ঘটনাস্থলে ৫ জনের মরদেহ রয়েছে। হাসপাতালে অনেক মানুষ গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে। সেখানে খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে কয়েকজন।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, সুয়াদী বাসস্ট্যান্ডে ডিম ভর্তি একটি পিকআপ ভ্যান বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পিক আপ উদ্ধারের সময় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ গামী নড়াইল এক্সপ্রেস তাদের চাঁপা দেয়।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলো ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের আরিফ মাতুব্বর(২৫), পিতা- বাবলু মাতুব্বর, ওবায়দুল সেক (৪০) পিতা-আবু সেক। জয়নাল মিয়া(২৪) পিতা-লিটন মিয়া। নুরুননবী সেক(১২) পিতা, তুহিন সেক ও হাফিজুর (৫০) পিতা-কুদ্দুস।

এছাড়াও আলগী ইউনিয়নের সুয়াদী গ্ৰামের ও সেতু মাতুব্বর পিতা-সিরাজ মাতুব্বরকে মুমুর্ষ অবস্থায় ভাঙ্গা হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যায়।

উত্তেজিত জনতা একাধিক যানবাহন ভাঙচুর ও একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ রিপোর্ট লেখা সময় পর্যন্ত প্রশাসনের কোন লোকজন উত্তেজিত জনতার সামনে ভীড়তে পারে নাই। সড়কের উপর একাধিক যানবাহন আগুনে পুড়ছে। উত্তেজিত জনতা ৩০/৪০ টি যানবাহন ভাঙচুর করে।
উল্লেখ্য দুর্ঘটনায় আরো হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গা হাই ওয়ে থানা পুলিশ।‌