ইসমাইল হােসেন বাবুঃ
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলায় অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্তরা হলেন,সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার, একই বিভাগের সরকারি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস।
চিঠিতে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪ অনুসারে থানায় প্রাপ্ত আমলযোগ্য অপরাধে প্রাথমিক তথ্যে নাম উল্লেখ থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি শৃঙ্খলা বিধির ১৫(ন) ধারা অনুযায়ী ৫ মার্চ ২০২৬ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্তের এ আদেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে, বরখাস্ত থাকাকালীন বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক জীবন ধারণ ভাতা পাবেন তারা।
এদিকে, শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তদন্ত কমিটিতে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান।
আদেশে আসমা সাদিয়া রুনার অফিস কক্ষে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, চিঠিটি পাওয়ার পর কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান জানান, চিঠিটি পাওয়ার পর এ কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।