বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ
যুদ্ধাপরাধ মামলায় সাজা প্রাপ্ত আসামী কু-খ্যাত রাজাকার বাচ্চুকে অবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য প্রাশসনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন, ফরিদপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতি, বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি খোন্দকার নাসিরুল ইসলাম।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর ২০২৫) ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর বাজারে সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ বক্তব্য রাখেন।
শুক্রবার বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই গ্রুপের জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবসের কর্মসূচি ছিলো। বিকেলে ওয়াপদার মোড় এলাকা থেকে সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা শুরুর পূর্ব মূহুর্তে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কার্যত: ওয়াপদা মোড় এলাকা রনক্ষেত্রে রূপ নেয়। এ ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। আহতদের বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে দ্রুত তাদের ফরিদপুর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
খোন্দকার নাসির অভিযোগ করে বলেন, বোয়ালমারী ছিলো একটি শান্তিপূর্ণ জনপদ। কুখ্যাত বাচ্চু রাজাকারের পুত্র জাহিদ এর বাড়ি সালথা উপজেলার খারদিয়া। বহিরাগত এই স্বন্ত্রাসী তার স্বশস্ত্র বাহিনী নিয়ে দীর্ঘদিন পূর্ব বোয়ালমারীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ৭ নভেম্বর শুক্রবার বোয়ালমারীতে আমার কর্মীরা যখন সংহতি দিবসের কর্মসূচি পালন করছিলো তখন এই জাহিদের স্বন্ত্রাসীরা ঝুনু মিয়ার নির্দশে আমার নেতা-কর্মীদের উপর চড়াও হয়, তাদের আঘাতে আমার বেশ কয়েক জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। খোন্দকার নাসির প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘অবিলম্বে এই স্বন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে।’
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তিনি রাতে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সদ্য ঘোষিত বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টু, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: জাকির হোসেন টিআই, উপজেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি মো: আবু জাফর শেখ, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মীগণসহ বিএনপির সর্বস্তরের অসংখ্য নেতা-কর্মীগণ।