সাহিদা পারভীনঃ
এতোদিন আড়ালে আবডালে ব্যবসা চললেও এখন প্রকাশ্যে চলছে মাদকের আড্ডা।এযেন এক মগের মুল্লুক। স্থানটি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর রাজ- রাজেশ্বর মন্দির পিছন দিক ও সুন্দরকান্দি শ্মশান ও আশপাশের এলাকা।
জায়গা দুটি গাঁজা ও ফেনসিডিল সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মাদক বেঁচাকেনার জন্যও জায়গা দুটি বেশ নিরাপদ।
স্থানীয়রা এ দুই এলাকায় মাদক ব্যবসা বিক্রয় ও সেবন বন্ধের চেষ্ট করেও ব্যর্থ। এলাকাবাসী জানায়,মাঝে মধ্যে এ দুই এলাকায় মাদক সেবিরা জ্ঞান হারিয়ে পরে থাকে। মদাপুর রাজরাজেশ্বর মন্দির বাংলাদেশসহ নেপাল ও ভারতের হিন্দুরের কাছে প্রসিদ্ধ। এই মন্দিরে আগতরা প্রায়ই মাদক সেবিদের হাতে লাঞ্চিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার মাগুরা থেকে মন্দিরে পূজা দিতে আসা ডলি রানী জানান, সে পূজা দিতে মন্দির চক্কর দিচ্ছিলো।এসময় মন্দিরের পিছনে এক মাদক সেবি তার উড়না টেনে ধরে। মন্দিরের সেবাইত জানান, বখাটেরা নানা ঝামেলা করে।তারপরও কিছু বলতে পারি না। বড় ধরনের ক্ষতি করবে এই ভয়ে।
মদাপুর বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল কবির কুন্নু জানান, বখাটের কথা আমরা শুনেছি।এজন্য আজ ( বুধবার) মদাপুর ইউনিয়নে মাদক প্রতিরোধী সভা করা হয়েছে। তিনি এ কাজে পুলিশের সহযোগীতা কামনা করেন।
মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মদন কুমার প্রামাণিক জানান, মদাপুরে কোথাও মাদক ব্যবসা ও ব্যবহার করা যাবে না। কেউ করলে তার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।