
লখনৌতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ছয় ব্যাটার ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান সাজঘরে। এরপর এঙ্গেলব্রেখট ও ফন বিকের রেকর্ড জুটিতে বড় ২৬২ রান করল নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সপ্তম উইকেটে এই দুই ডাচ ব্যাটারের ১৪৩ বলে ১৩০ রানই এখন সর্বোচ্চ।
ব্যাট করতে নেমে ওপেনার বিক্রমজিত সিং চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে ৪ রানের মাথায় লেগ বিফোর হয়ে ফিরেন কাসুন রাজিথার বলে। আরেক ওপেনার ম্যাক্স ওডাউডকে তুলে নেন রাজিথা। এই ওপেনার ২৭ বলে ১৬ করে হন বোল্ড আউট। কলিন অ্যাকারমেনকেও রাজিথা ফেরান ২৯ (৩১) রানে।
চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা বাস ডে লিডিকে ৬ (২১) রানে বিদায় করেন দিলসান মাধুশাঙ্কা। এরপর তেজা নিদামানুরুকেও মাধুশাঙ্কা বিদায় করেন ৯ রানে। মাত্র ৭১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস ১৬ বলে ১৬ রান করে বোল্ড হন থেকসানার বলে।
দলীয় ৯১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন দিশেহারা ডাচরা, তখন শক্ত হাতে প্রতিরোধ করেন সিব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট ও ফন বিক। সাতে নেমে এঙ্গেলব্রেখট ৮২ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলেন। তিনি মারেন চারটি চার ও একটি ছক্কা। আটে নেমে ফন বিক একটি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ৭৫ বলে করেন ৫৯ রান। বিশ্বকাপের মঞ্চে তো বটেই, ওয়ানডে ক্যারিয়ারেই এঙ্গেলব্রেখট ও ফন বিক পান নিজেদের প্রথম ফিফটির স্বাদ।
দুজনের বিদায়ের পর বাকি চার ব্যাটারের কেউই পার হতে পারেননি দশ রানের কোঠা। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ফেলে নেদারল্যান্ডস।
শ্রীলঙ্কার হয়ে সমান ৪টি করে উইকেট নেন মাধউশাঙ্কা ও রাজিথা। ১ উইকেট নেন থেকসানা। চলতি আসরে এখনো পর্যন্ত কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি লঙ্কানরা। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫