
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এই প্রতিবেদনে জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় হাম উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫৬ জনে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তারা সবাই হামের সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ২৩ জন রোগী। বর্তমানে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলার হাম পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫১ জন। ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে তিন জনের। এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৫৫ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫জন, কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১জন এবং দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২জন উপসর্গে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় গত ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এই ক্যাম্পেইন চলবে ১১ মে পর্যন্ত। ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় টিকা দেওয়া হচ্ছে। জেলায় এই বয়সের মোট শিশুর সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজার ৯২৬ জন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, হঠাৎ করে এই অঞ্চলে হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পেছনে টিকাদানে অনীহা এবং আবহাওয়া পরিবর্তন বড় কারণ হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন।
চিকিৎসকরা শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করার এবং হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫