মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিকঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সংকটকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি। তেলের আশায় কয়েক শ’ মোটরসাইকেল চালককে ফিলিং স্টেশন সামনে রাতভর অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হচ্ছে উপজেলা প্রশাসন সহ ফিলিংস্টেশন কর্তৃপক্ষকে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, হিলি ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন সড়কজুড়ে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। তেল পাওয়ার নিশ্চয়তা পেতে অনেক চালক আগের দিন রোববার রাত থেকেই সেখানে অবস্থান নেন। দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তিতে কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে শুয়ে ছিলেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বসেই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে প্রতিটি মোটরসাইকেলের জন্য সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার তেল সরবরাহ করছে। এই সীমিত পরিমাণ তেল পেতেও চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
ভোগান্তির শিকার চালকদের অভিযোগ, ৩০০ টাকার তেল বর্তমান সময়ে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাদের দাবি, অন্তত ৫০০ টাকার তেল সরবরাহ করা হলে কিছুটা হলেও যাতায়াতের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হতো।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা জানান, হাকিমপুরে সুষ্টভাবে তেল বিতরনের জন্য লাইন করে সকাল থেকে তেল বিতরণ করা হচ্ছে।আমি সবসময় চাই এই এলাকার মানুষ ভালোভাবে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে তেল দিয়ে তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্য অর্থাৎ যারা চাকরি করেন বা ব্যবসা করেন তারা যেন চলাফেরা করতে পারেন, যার লক্ষে মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদার তুলনায় তেলের সরবরাহ অনেক কম থাকায় সবার মধ্যে সীমিত পরিমাণে তেল বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের চাপ সামলাতে তাদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, চলমান জ্বালানি সংকট সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ও কর্মজীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। তারা দ্রুত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫