সাজেদুর রহমান:
বেনাপোল চেকপোস্ট পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ। প্রতিনিয়ত পাসপোর্টধারী যাত্রীর টাকা ও পাসপোর্ট, ডলার ছিনতাই এর অভিযোগ উঠছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে সুশান্ত কুমার মজুমদার নামে এক পাসপোর্টধারীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পাসপোর্ট যাত্রী লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ আজ দুপুরে তাদের আটক করতে সক্ষম হয় । আটকৃতরা হলেন, বেনাপোল পৌরসভার বড়আঁচড়া গ্রামের সলেমানের ছেলে হামিদ, ভবারবেড় গ্রামের মতলেবের ছেলে আতিকুর রহমান ও শাহাজানের ছেলে রুবেল হোসেন।
জানা যায়, দেশের বৃহত্তর স্থল বন্দর বেনাপোল এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিনি ৩ থেকে ৪ হাজার দেশী বিদেশী যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। আর এসব যাত্রীদের এক শ্রেনীর ছিনতাইকারী লাইনের আগে অনলাইন ট্যাক্স, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট করতে হবে না এসব প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসে তাদের নির্দিষ্ট ঘরে। তারপর অনলাইন ফর্মপূরণ এবং টাকার নাম্বার লিখতে হবে, না লিখলে কাস্টমস আটক করবে বলে নানা ভাবে দুর দুরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের বুঝিয়ে তাদের কাছে থাকা টাকা গুনতে গুনতে পাসপোর্ট যাত্রীর অগোচরে ফেলে দেয় টেবিলের নীচে। এভাবে প্রতিনয়ত সাধারন এসব যাত্রীদের টাকা ছিনতাই করছে এই চক্রের সদস্যরা ।
ভুক্তভোগী পাসপোর্ট যাত্রী জানান, তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার ভোরে বাস থেকে বেনাপোল চেকপোষ্টে নামেন। এসময় ব্যাংক, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস দ্রুত করে দেওয়ার নাম করে ৪ থেকে ৫ জন তাকে ঘিরে ধরে। এক প্রকার তাদের সাথে তাদের আস্তানায় যেতে বাধ্য করে। পরে তাকে জিম্মী করে সাথে থাকা ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তিনি থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ প্রতারকদের মধ্য থেকে ৩ জনকে আটক করেন।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, প্রায়ই প্রতারক চক্রকে ধরে পুলিশে দেওয়া হচ্ছে। তারা আবার ফিরে ছিনতাই, প্রতারনায় জড়িয়ে পড়ছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফ হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমনে পর্যায় ক্রমে প্রতারক চক্রের সব সদস্যদের ধরা হবে।প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও চেকপোস্ট এলাকায় যাত্রীদের টার্গেট করে নানা কৌশলে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। সর্বশেষ এক পাসপোর্ট যাত্রীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫