ইমরান হোসাইনঃ
বরগুনার আমতলী উপজেলার পশ্চিম সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে গোয়াল ঘর তৈরি করে গরু-মহিষ লালন পালন করা হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ চরমভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় প্রভাবশালী শাহ আলম হাওলাদার ও ফোরকান হাওলাদার বিদ্যালয় ভবনের নিচতলায় গোয়াল ঘর তৈরি করে গরু ও মহিষ পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত তিন মাস ধরে চলমান এই ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয় ভবনের নিচতলায় পাঁচটি গরু ও তিনটি মহিষ বাঁধা রয়েছে। চারপাশে গোবর, খড় ও বর্জ্যে ছড়িয়ে আছে পঁচা দুর্গন্ধ। বিদ্যালয় মাঠে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা নাক চেপে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিল, সাদিয়া, সাব্বির ও মুসাদ্দিকা জানায়, দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষে টিকেই থাকা দায়। তারা দ্রুত বিদ্যালয় থেকে গোয়াল ঘর অপসারণের দাবি জানায়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাসিমা আক্তার বলেন, স্থানীয় দুই প্রভাবশালী শাহ আলম হাওলাদার ও ফোরকান হাওলাদার জোর করে বিদ্যালয় ভবনে গোয়াল ঘর তৈরি করেছেন। এতে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। বারবার অনুরোধ করেও তারা গোয়াল ঘর সরাচ্ছেন না।
স্থানীয় কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, তিন মাস ধরে বিদ্যালয় ভবনে এই গোয়াল ঘর চলছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহ আলম হাওলাদার বলেন, বিদ্যালয় ভবনে গোয়াল ঘর তৈরি করা আমার ভুল হয়েছে। আমি দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি সরিয়ে নেব।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম বলেন, বিষয়টি এখনই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে গোয়াল ঘর সরানো না হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫