ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু Logo মধুখালীতে দোয়া মাহফিল ও গণমাধ্যম কর্মিদের সাথে মতবিনিময় Logo বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় Logo শিবগঞ্জে চোখ উপড়ে পাহারাদারকে হত্যা Logo মধুখালীতে সাংবাদিক সাগর চক্রবর্তীর মোটরসাইকেল চুরি Logo বালিয়াকান্দিতে মোবাইলকোট পরিচালনায় দুই ট্রলি চালককে জরিমানা  Logo বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য পালশা ডে নাইট শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo তানোর বিএনপির রাজনীতিতে জাহাঙ্গীরকে দায়িত্বশীল পদে দেখতে চায় তৃণমুল
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

পাখিদের কলরবে মুখরিত প্রাকৃতিক পরিবেশ

অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যের মেলা ঘোপ বাঁওড়ে

মুরাদ হোসেনঃ

প্রতিবছরের মতো এবছরেও শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে দলবেঁধে আসা পাখির কলরব কানে আসে মানুষের। এসব পাখির কিচিমিচির শব্দে রোজ ঘুম ভাঙে স্থানীয়দের। আতিথি পাখিদের উপস্থিতি প্রকৃতিতে এনেছে নতুন রুপ। তাদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

 

মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক এই দৃশ্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের ঘোপ বাঁওড়ে। শীতের শুরুতেই যেন অপার সৌন্দর্যের মেলা বসেছে এখানে। ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মেলা বসেছে যেন ঘোপ বাঁওড়ের বিশাল জলাশয়জুড়ে। শীত মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছরই ভিনদেশী এসব পাখিদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে প্রকৃতি। চোখে পড়ে মন মাতানো এক অপরুপ দৃশ্য। যেন পাখিদের জন্য নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে ঘোপ বাঁওড়টি।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়া, পানিতে ডুব দিয়ে আহার শিকার করার মতো মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মনে হয় যেন দল বেঁধে নেমে পড়েছে খাদ্য সংগ্রহের প্রতিযোগিতায়। এ রকম খাদ্যের অভিযান ও ছুটাছুটি আর লুটোপুটি চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আবার কখনো কখনো কচুরিপনার উপরে বসেও বিশ্রাম নিতে দেখা যায় পাখিদের।

 

চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত নানা শ্রেনিপেশার মানুষ ছুটে আসেন বাঁওড়ের তীরে। আগত ব্যক্তিরা দুর থেকেই দু’চোখ ভরে উপভোগ করেন পাখিদের কলরব, মিতালী আর মাতামাতি। যা অন্যরকম এক অনুভুতি।

 

তেমই অনুভুতির কথা ব্যক্ত করেন মৎস্য শিকারী মুকুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এই বাঁওড়ে মাছ শিকার করছি। বহুবছর ধরে এই বাঁওড়ে শীতের সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে। আমরা সারা বছর এই অতিথি পাখির জন্য অপেক্ষা করি। তাদের মতো আমরাও সারাদিন বাঁওড়ে থাকি। এক প্রকার পাখি আর আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।

 

অতিথি পাখির ঝাঁক বেধে বিচিত্র স্বরে ডাকতে ডাকতে উড়ে চলা, খাবার সংগ্রহ করা, কিচিরমিচির শব্দে বাঁওড়ের পানিতে নেমে আহার শিকারের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠা, এসব সুন্দর দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তোলে। শীতকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এসব অতিথি পাখি। শতি কমতে শুরু করলেই আবার ফিরে যায়।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত

error: Content is protected !!

পাখিদের কলরবে মুখরিত প্রাকৃতিক পরিবেশ

অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যের মেলা ঘোপ বাঁওড়ে

আপডেট টাইম : ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মুরাদ হোসেন, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :

মুরাদ হোসেনঃ

প্রতিবছরের মতো এবছরেও শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে দলবেঁধে আসা পাখির কলরব কানে আসে মানুষের। এসব পাখির কিচিমিচির শব্দে রোজ ঘুম ভাঙে স্থানীয়দের। আতিথি পাখিদের উপস্থিতি প্রকৃতিতে এনেছে নতুন রুপ। তাদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

 

মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক এই দৃশ্য মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের ঘোপ বাঁওড়ে। শীতের শুরুতেই যেন অপার সৌন্দর্যের মেলা বসেছে এখানে। ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির আগমনে বৈচিত্র্যময় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মেলা বসেছে যেন ঘোপ বাঁওড়ের বিশাল জলাশয়জুড়ে। শীত মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছরই ভিনদেশী এসব পাখিদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে প্রকৃতি। চোখে পড়ে মন মাতানো এক অপরুপ দৃশ্য। যেন পাখিদের জন্য নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে ঘোপ বাঁওড়টি।

 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়া, পানিতে ডুব দিয়ে আহার শিকার করার মতো মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মনে হয় যেন দল বেঁধে নেমে পড়েছে খাদ্য সংগ্রহের প্রতিযোগিতায়। এ রকম খাদ্যের অভিযান ও ছুটাছুটি আর লুটোপুটি চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। আবার কখনো কখনো কচুরিপনার উপরে বসেও বিশ্রাম নিতে দেখা যায় পাখিদের।

 

চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক এই মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত নানা শ্রেনিপেশার মানুষ ছুটে আসেন বাঁওড়ের তীরে। আগত ব্যক্তিরা দুর থেকেই দু’চোখ ভরে উপভোগ করেন পাখিদের কলরব, মিতালী আর মাতামাতি। যা অন্যরকম এক অনুভুতি।

 

তেমই অনুভুতির কথা ব্যক্ত করেন মৎস্য শিকারী মুকুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এই বাঁওড়ে মাছ শিকার করছি। বহুবছর ধরে এই বাঁওড়ে শীতের সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে। আমরা সারা বছর এই অতিথি পাখির জন্য অপেক্ষা করি। তাদের মতো আমরাও সারাদিন বাঁওড়ে থাকি। এক প্রকার পাখি আর আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।

 

অতিথি পাখির ঝাঁক বেধে বিচিত্র স্বরে ডাকতে ডাকতে উড়ে চলা, খাবার সংগ্রহ করা, কিচিরমিচির শব্দে বাঁওড়ের পানিতে নেমে আহার শিকারের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠা, এসব সুন্দর দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তোলে। শীতকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এসব অতিথি পাখি। শতি কমতে শুরু করলেই আবার ফিরে যায়।


প্রিন্ট