সাজেদুর রহমানঃ
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ১০৬ দশমিক ৬৩৪ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি হয়েছে। ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ রফতানির সময় বেধে দিলেও ৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গোলবার ইলিশ রফতানি শেষ হয়েছে। চড়া দামে কিনে কম মূলে রফতানি করতে হচ্ছে বিধায় লোকসানের ভয়ে অনেক রফতানিকারক প্রতিষ্টান ইলিশ রফতানি করতে পারেনি। ইলিশ রফতানি থেকে এ বছর সরকারের ১৩৩২৯২৫ মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
বেনাপোলের ইলিশ রফতানিকারক বিশ্বাস ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী নুরুল আমিন বিশ্বাস বলেন, ইলিশ রফতানি শুরু হওয়ার পর থেকে বরিশাল, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, ভোলা সহ বিভিন্ন স্থানের ইলিশ মোকামে দাম বৃদ্ধি পাই। ফলে ইলিশ কিনতে হিমশিম খেয়েছে তারা। চড়া মূলে কিনে কম মূলে রফতানি করায় লোকসান হয়েছে। ফলে ইলিশ রফতানিতে নিরুৎসাহিত হয়েছে রফতানিকারকরা। আমি নিজে ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন পেলেও কোন ইলিশ রফতানি করতে পারেনি।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ফিসারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসের ফিসারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার সজিব সাহা বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশ রফতানি শুরু হয়েছে এবং ৫ অক্টোবর শেষ দিন ছিল। দুর্গাপূজার ছুটির মধ্যেও কিছু রফতানি হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ ইলিশ রফতানি হয়েছে। এদিন (সর্বশেষ) ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ ৪২০ কেজি ও যশোরের আরিফ ট্রেডিং এক টন ইলিশ রফতানি করেন। এবছর ১০৬ দশমিক ৬৩৪ মেট্রিক টন ইলিশ ইলিশ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে রফতানি হয়েছে। ইলিশ রফতানি থেকে সরকার ১৩৩২৯২৫ মার্কিন ডলার আয় করেছে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত 
সাজেদুর রহমান, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি 





















