মোঃ ইকবাল হোসেনঃ
সোমবার বিকেলে স্ত্রী মিতু আক্তারকে ফোন দিয়ে আরমান জানায় ‘সব ভুলে গিয়ে চলো নতুন করে সংসার করি’। ওই দিন রাতেই খবর পান আরমান আত্মহত্যা করেছে। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নিজ প্রতিষ্ঠানে সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে আরমানুজ্জামান রাজু (৩০) নামের এক যুবক।
সোমবার রাত ৯ টায় আলফাডাঙ্গা পৌর সদরে কলেজ রোডে এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
খরব পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। আরমান আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী, ছয় বছরের একটি ছেলে ও দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। আরমান এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আরমানের পরকীয়া সম্পর্কের সূত্র ধরে তার স্ত্রী মিতু আক্তারের সাথে ভূল বোঝাবুঝি চলছিল বেশি কিছু দিন ধরে। এ বিরোধের জেরে স্ত্রী তার বাবার বাড়ি চলে যায়। স্বজনদের প্রাথমিক ধারনা স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান ও পরিবারিক কলহের কারণে আরমান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
আরমানুজ্জামান রাজুর স্ত্রী মিতু আক্তার বলেন, গত ডিসেম্বর মাস থেকে রাজু একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক জড়িয়ে যান। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া হতো। কয়েক দিন আগে ঝগড়া করে আমি বাবার বাড়িতে চলে যাই। সোমবার বিকেলে আমাকে আরমান ফোন দিয়ে বলে ‘সব ভুলে গিয়ে চলো নতুন করে সংসার করি’। সে বিকাশে আমার কাছে এক হাজার টাকাও চায়।
ওই দিন রাত ৯ টার দিকে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে জানায় আরমান এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি কক্ষের মধ্যে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস নিয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার মরদেহ দেখতে পাই।
আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরমান নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা। কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দিলে পুলিশ অবশ্যই সেটা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এ. এস.এম
মুরসিদ। মোবাইল: 01728 311111
ঢাকা অফিসঃ হোল্ডিং-১৩, লাইন-৬, রোড- ১২, ব্লক-বি, মিরপুর-১১, ঢাকা-১২১৬।
ফরিদপুর অফিসঃ মুজিব সড়ক, ফরিদপুর। মোবাইলঃ ০১৭১১ ৯৩৯৪৪৫