ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় স্বামীকে মারপিট

মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীন:

দীর্ঘ দিনের পরকিয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় প্রেমিকার স্বামীকে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে কুদ্দুস হোসেন খান (সবুজ) নামের এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের মধুপুর গুচ্ছ গ্ৰামে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি প্রবাসী মিকাইল মোল্লার স্ত্রী (দুই সন্তানের জননী) লামিয়া খানমের সাথে প্রতিবেশী (দুই সন্তানের জনক) কুদ্দুস খানের সঙ্গে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। বিষয়টি মিকাইল মোল্লা প্রবাস থেকে জানতে পেরে গত একমাস পূর্বে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফেরেন।

 

এরপর বাড়িতে থেকে গোপনে স্ত্রীর চলাফেরা পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। বেশ কিছুদিন বাধ্য হয়ে বন্ধ থাকে কুদ্দুস খানের পরকিয়া। একপর্যায়ে প্রবাসী মিকাইল মোল্লার সাথে স্ত্রীর ঝগড়া হলে মিকাইল তাকে মারপিট করে। এই মারপিটের খবর শুনে প্রেমিক কুদ্দুস গোপনে পরকিয়া প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন। প্রেমিকা সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য কুদ্দুস কে দায়ী করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় কুদ্দুস, পরবর্তীতে (২১আগষ্ট) শুক্রবার সকালে পরকিয়া প্রেমিকার স্বামী মিকাইল মোল্লাকে স্থানীয় মধুপুর বাজার এলাকায় ডেকে এনে মারপিট করে কুদ্দুস ও তার লোকজন।

 

এ ঘটনায় স্বামীর পক্ষ নিয়ে প্রেমিকা বাদী হয়ে পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের নামে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ধর্ষণ চেষ্টা ও মারপিটের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে।

 

বিষয়টি মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে টক অফ দ্যা ডিস্ট্রিকে পরিনত হয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অজানা কারণে আলোচিত এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন কার্যক্রম গ্ৰহন করেনি।
আলোচিত ঘটনার বিযষয়ে পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদক কে মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি কে এম বাবর(এমপি) মহোদয় মিটমাট করে দিবে। আপনাদের লেখালেখি না করলেই ভালো হয়।

 

এবিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় এস আই জালাল উদ্দিন বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে, অভিযোগের সত্যতা পেলে কার্যকরী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলো হাজী আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন

error: Content is protected !!

পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় স্বামীকে মারপিট

আপডেট টাইম : ০১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীন, গোপালগঞ্জ ব্যুরো প্রধান :

মুন্সী সাদেকুর রহমান শাহীন:

দীর্ঘ দিনের পরকিয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় প্রেমিকার স্বামীকে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে কুদ্দুস হোসেন খান (সবুজ) নামের এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

 

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের মধুপুর গুচ্ছ গ্ৰামে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে সৌদি প্রবাসী মিকাইল মোল্লার স্ত্রী (দুই সন্তানের জননী) লামিয়া খানমের সাথে প্রতিবেশী (দুই সন্তানের জনক) কুদ্দুস খানের সঙ্গে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। বিষয়টি মিকাইল মোল্লা প্রবাস থেকে জানতে পেরে গত একমাস পূর্বে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফেরেন।

 

এরপর বাড়িতে থেকে গোপনে স্ত্রীর চলাফেরা পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। বেশ কিছুদিন বাধ্য হয়ে বন্ধ থাকে কুদ্দুস খানের পরকিয়া। একপর্যায়ে প্রবাসী মিকাইল মোল্লার সাথে স্ত্রীর ঝগড়া হলে মিকাইল তাকে মারপিট করে। এই মারপিটের খবর শুনে প্রেমিক কুদ্দুস গোপনে পরকিয়া প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন। প্রেমিকা সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য কুদ্দুস কে দায়ী করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় কুদ্দুস, পরবর্তীতে (২১আগষ্ট) শুক্রবার সকালে পরকিয়া প্রেমিকার স্বামী মিকাইল মোল্লাকে স্থানীয় মধুপুর বাজার এলাকায় ডেকে এনে মারপিট করে কুদ্দুস ও তার লোকজন।

 

এ ঘটনায় স্বামীর পক্ষ নিয়ে প্রেমিকা বাদী হয়ে পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের নামে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ধর্ষণ চেষ্টা ও মারপিটের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে।

 

বিষয়টি মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে টক অফ দ্যা ডিস্ট্রিকে পরিনত হয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অজানা কারণে আলোচিত এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন কার্যক্রম গ্ৰহন করেনি।
আলোচিত ঘটনার বিযষয়ে পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদক কে মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি কে এম বাবর(এমপি) মহোদয় মিটমাট করে দিবে। আপনাদের লেখালেখি না করলেই ভালো হয়।

 

এবিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় এস আই জালাল উদ্দিন বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে, অভিযোগের সত্যতা পেলে কার্যকরী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।