দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
মোঃ নুরুল ইসলাম: ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযোশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে কারিম মুন্সি (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার সদরদী ইউনিয়নের কাপুরিয়া গ্রামের জালাল মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার আলগাদিয়া গ্রামের ওমর আলী শেখের বাড়িতে অবস্থানকালে কারিম মুন্সিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কারিম মুন্সির স্ত্রী মাহমুদা ভাঙ্গা বাজারের একটি ক্লিনিকে কর্মরত। তাদের সংসারে ১৩ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ঈদুল আজহার প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। স্বজনদের দাবি, বিষয়টি সম্প্রতি জানতে পেরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চলছে। এদিকে, নগরকান্দার সংবাদকর্মী আলামিন হোসেন বিজয় ঘটনাস্থল ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বিষয়টির বিস্তারিত তথ্য ভিডিও আকারে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশ করেছেন। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
মোঃ নুরুল ইসলাম:
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযোশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে কারিম মুন্সি (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার সদরদী ইউনিয়নের কাপুরিয়া গ্রামের জালাল মুন্সির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার আলগাদিয়া গ্রামের ওমর আলী শেখের বাড়িতে অবস্থানকালে কারিম মুন্সিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কারিম মুন্সির স্ত্রী মাহমুদা ভাঙ্গা বাজারের একটি ক্লিনিকে কর্মরত। তাদের সংসারে ১৩ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ঈদুল আজহার প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। স্বজনদের দাবি, বিষয়টি সম্প্রতি জানতে পেরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চলছে।
এদিকে, নগরকান্দার সংবাদকর্মী আলামিন হোসেন বিজয় ঘটনাস্থল ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বিষয়টির বিস্তারিত তথ্য ভিডিও আকারে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশ করেছেন।
তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।