ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আদালতের নির্দেশে ভেড়ামারায় দাফনের ৩ মাস পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

ইস্রাফিল হোসেন ইমন:

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আদালতের নির্দেশে দাফনের প্রায় তিন মাস পর মনোয়ারা খাতুন নামে এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। লাশ উত্তোলনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং শত শত উৎসুক নারী-পুরুষ কবরস্থানে ভিড় করেন।

 

মৃত মনোয়ারা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

 

রোববার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর-নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

 

আদালতের নির্দেশে ভেড়ামারা থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

 

জানা গেছে, মনোয়ারা খাতুন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে তার ছেলে সুমন হোসেন কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পায় ভেড়ামারা থানা পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

 

লাশ উত্তোলনের সময় ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন এবং ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম (রকিব) উপস্থিত ছিলেন।

 

ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বলেন, “কবর থেকে লাশ উত্তোলনের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য লাশটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর প্রয়োজন হবে না—এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে -সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

error: Content is protected !!

আদালতের নির্দেশে ভেড়ামারায় দাফনের ৩ মাস পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

আপডেট টাইম : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
ইস্রাফিল হোসেন ইমন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি :

ইস্রাফিল হোসেন ইমন:

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আদালতের নির্দেশে দাফনের প্রায় তিন মাস পর মনোয়ারা খাতুন নামে এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। লাশ উত্তোলনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং শত শত উৎসুক নারী-পুরুষ কবরস্থানে ভিড় করেন।

 

মৃত মনোয়ারা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

 

রোববার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর-নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

 

আদালতের নির্দেশে ভেড়ামারা থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

 

জানা গেছে, মনোয়ারা খাতুন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তার মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে তার ছেলে সুমন হোসেন কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পায় ভেড়ামারা থানা পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

 

লাশ উত্তোলনের সময় ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন এবং ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম (রকিব) উপস্থিত ছিলেন।

 

ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বলেন, “কবর থেকে লাশ উত্তোলনের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য লাশটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।